রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (রামেক) প্রথমবারের মতো পেট না কেটে ল্যাপারোস্কোপিক মেশিনের মাধ্যমে এক শিশুর পিত্তনালির জন্মগত সিস্টের সফল অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা এ জটিল অপারেশনটি করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল।
রামেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে শিশুটির লিভারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জন্মগত সিস্ট অপসারণ করা হয়, যা রাজশাহীতে আগে কখনো করা হয়নি। ঢাকার ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ইমরুল হাসান খান রাজশাহীতে এসে এ অপারেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন ও তত্ত্বাবধান করেন।
অপারেশন টিমে তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. নাজিমুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মোজাম্মেল হক। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাজমুল হক, ডা. আশরাফুল আলম, ডা. মুণিম সরকার, ডা. জয়ন্ত, ডা. রাশেদ ও ডা. মালেক।
রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মোজাম্মেল হক বলেন, লিভারের জন্মগত সিস্ট একটি অত্যন্ত জটিল রোগ। পেট না কেটে ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে এ ধরনের অপারেশন আগে কখনো রাজশাহীতে হয়নি। রোগীদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতেই আমরা এই পদ্ধতি চালু করেছি।
তিনি আরও জানান, এখন থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই নিয়মিত এ ধরনের জটিল অপারেশন করা সম্ভব হবে। এর ফলে রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা দেশের বাইরে যেতে হবে না। ইতোমধ্যে পেটের আরও বিভিন্ন জটিল অপারেশন এই হাসপাতালে সফলভাবে করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
চিকিৎসকরা বলছেন, ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে অপারেশনের ফলে রোগীর ঝুঁকি কমে, দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব হয় এবং হাসপাতালে থাকার সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত প্রায় চার ঘণ্টা ধরে চলা এ জটিল অপারেশনটি করেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের একটি দল।
রামেক হাসপাতাল সূত্র জানায়, ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে শিশুটির লিভারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট জন্মগত সিস্ট অপসারণ করা হয়, যা রাজশাহীতে আগে কখনো করা হয়নি। ঢাকার ন্যাশনাল গ্যাস্ট্রোলিভার ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের চিকিৎসক ও বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ইমরুল হাসান খান রাজশাহীতে এসে এ অপারেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন ও তত্ত্বাবধান করেন।
অপারেশন টিমে তাঁর সঙ্গে সহযোগিতা করেন রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. নাজিমুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মোজাম্মেল হক। এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন সার্জারি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নাজমুল হক, ডা. আশরাফুল আলম, ডা. মুণিম সরকার, ডা. জয়ন্ত, ডা. রাশেদ ও ডা. মালেক।
রামেক হাসপাতালের চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. মোজাম্মেল হক বলেন, লিভারের জন্মগত সিস্ট একটি অত্যন্ত জটিল রোগ। পেট না কেটে ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে এ ধরনের অপারেশন আগে কখনো রাজশাহীতে হয়নি। রোগীদের উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতেই আমরা এই পদ্ধতি চালু করেছি।
তিনি আরও জানান, এখন থেকে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেই নিয়মিত এ ধরনের জটিল অপারেশন করা সম্ভব হবে। এর ফলে রোগীদের চিকিৎসার জন্য ঢাকা বা দেশের বাইরে যেতে হবে না। ইতোমধ্যে পেটের আরও বিভিন্ন জটিল অপারেশন এই হাসপাতালে সফলভাবে করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
চিকিৎসকরা বলছেন, ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে অপারেশনের ফলে রোগীর ঝুঁকি কমে, দ্রুত সুস্থ হওয়া সম্ভব হয় এবং হাসপাতালে থাকার সময়ও তুলনামূলকভাবে কম লাগে।
মিস আনিসা আক্তার :